দিল্লীর বাদশাহ নাসির উদ্দিন।
বাদশাহ আলতামাশের পুত্র তিনি। বাদশাহর পুত্র হলেও স্বহস্তে পুস্তক নকল
করে তার বিক্রয়লব্ধ অর্থ দিয়ে তিনি জীবিকা নির্বাহ করতেন। দিল্লীর সিংহাসনে
আরোহণের পরও তিনি এভাবেই নিজ পরিবারের ব্যয় নির্বাহ করতেন।
তাঁর বেগম নিজ হাতে
রান্না-বান্নাসহ সংসারের যাবতীয় কাজ করতেন। একদিন রুটি সেকবার সময় বাদশাহর বেগমের
হাত পুড়ে গেল।
বেগম এসে বললেন,
‘বাদশাহ, একলা আর পেরে উঠিনে, একজন পরিচারিকার ব্যবস্থা করে দিন।’
বাদশাহর চক্ষে দেখা
দিল অশ্রু। তিনি বললেন, ‘পরিচারিকা
রাখার সংগতি আমার নেই। ধৈর্য ধরে কাজ করে যাও বেগম, আল্লাহ তার পুরস্কার দেবেন। দাসী রাখা অসম্ভব।
রাজকোষ জনসাধারণের– আমি
তার রক্ষক মাত্র। অনাবশ্যক ব্যয় বৃদ্ধি দ্বারা রাজ্যের ব্যয়ভার বৃদ্ধি করতে আমি
পারবো না।’
No comments:
Post a Comment